
সিরাজুল ইসলাম রনি, রাজশাহী: ওয়েম্যান কিরন আলী, তাঁর ভাই নয়ন আলী, মিলন, আল-আমিন, নাহিদ ও রক্সির নাম স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। তাঁদের বাড়ি স্টেশনের আশপাশের এলাকায়। কিরন আলী নেসকোর কাটাখালী বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের টিএলআর ওয়েম্যান হিসেবেও কর্মরত।
যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত রিপন বলেন, তিনি প্ল্যাটফর্ম দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। তেল চুরির সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তাঁকে ভিডিওতে দেখা গেছে জানানো হলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে আর ফোন ধরেননি।
অভিযুক্ত ওয়েম্যান কিরন আলী বলেন, তেল নেওয়ার ঘটনায় তাঁর মতো দেখতে তাঁর ছোট ভাই নয়ন আলী ছিলেন। তিনি তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকায় কাজ করছিলেন।
হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার আরিফ হোসেন বলেন, ‘ঢাকা মেল সিক্স ডাউন’ ট্রেনটি হরিয়ান স্টেশনে মাত্র তিন মিনিট দাঁড়ায়। ওই সময় পাবনা থেকে ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেন আসছিল। সেটির সঙ্গে ট্রেনের ক্রসিং নিয়ে তিনি ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় তেল চুরির ঘটনা ঘটে। এসব দেখভালের জন্য রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও রেলওয়ে পুলিশ রয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আরএনবির চিফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম বলেন, তেল চুরির ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ফোর্স পাঠানো হয়েছিল। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওটি তাঁরা দেখেছেন এবং এতে জড়িতদের চেনা যাচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা হবে। অভিযুক্তদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, তাঁরা তেল চুরির ভিডিওটি দেখেছেন। এ বিষয়ে রেলওয়ের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ের ভেতরের বা বাইরের যারাই এ ঘটনায় জড়িত থাকুক না কেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।