
বিনোদন প্রতিবেদক: নাটকে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় সাবলীল অভিনয় করে দর্শকদের নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী অহনা রহমান। ‘বরিশাল টু ঢাকা’, ‘বরিশাইল্লা দেশি মানু’, ‘বরিশাইল্লা গেদু’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
অহনার মুখে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষার সাবলীল ব্যবহার অনেক দর্শকের কাছেই স্বাভাবিক মনে হলেও, এই ভাষা রপ্ত করার পেছনে রয়েছে দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মীর সাব্বিরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন অহনা রহমান। সেখানে তিনি মীর সাব্বিরকে শুধু বড় ভাই নয়, নিজের শিক্ষক হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
অহনা রহমান লিখেছেন, অনেকেই তাকে প্রশ্ন করেন কীভাবে তিনি এত সুন্দরভাবে বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলতে পারেন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখা ব্যক্তির নাম হিসেবে তিনি মীর সাব্বিরের কথা উল্লেখ করেন।
মীর সাব্বিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অহনা বলেন, ‘সাব্বির ভাই, আপনি শুধু আমার বড় ভাই নন, আপনি আমার শিক্ষকও। ‘নোয়াশাল’-এর জন্য আজকে আমি অহনা রহমান একজন নাট্যঅভিনেত্রী। আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ ভাইয়া সারাজীবনের জন্য।’
অহনার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘নোয়াশাল’ নাটকে কাজের সময় মীর সাব্বিরের কাছ থেকেই বরিশালের আঞ্চলিক ভাষা ও অভিনয়ের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতাই পরবর্তী সময়ে বরিশালের ভাষাভিত্তিক নাটকগুলোতে তার অভিনয়ে কাজে এসেছে।
বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় অহনা রহমান অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘বরিশাল টু ঢাকা’, ‘বরিশাল টু ঢাকা ২’, ‘বরিশাইল্লা দেশি মানু’, ‘বরিশাইল্লা গেদু’, ‘যেই লাউ সেই কদু’, ‘জামাই বাজার’, ‘ঢাকা টু বরিশাল’ ও ‘বরিশাইল্লাদের মন অনেক বড়’।
এসব নাটকে অহনার সঙ্গে অভিনয় করেছেন রাশেদ সীমান্ত, আরশ খানসহ আরও অনেকে। আঞ্চলিক ভাষায় স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয়ের কারণে এসব নাটকের মধ্য দিয়ে দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতিও পেয়েছেন এই অভিনেত্রী।