
অনলাইন ডেস্ক: মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র নগরী এবং মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনায় হুতিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন জানিয়েছে ৫৭টি মুসলিম দেশের এই জোট।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জেদ্দা থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওআইসি জানায়, পবিত্র স্থান, মসজিদ ও সাধারণ মানুষের স্থাপনায় হামলা ইসলামী মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী। এসব কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ওআইসি।
এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন শনাক্ত করে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, ড্রোনটি মক্কার নির্ধারিত নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয়। পরে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে পড়ে।
আল-মালিকি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে। মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে জোট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ওআইসি তার বিবৃতিতে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র স্থান ও বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি।